Uncategorized

ময়লা আবর্জনা দূষণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে মডেল একাডেমীর শিক্ষক শিক্ষার্থীরা,স্কুলের পানি নিষ্কাশনে বাঁধা

 

(লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: আবু সালমান
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজারে অবস্থিত হাজিগঞ্জ মডেল একাডেমি বর্তমানে পরিবেশগত নানা সমস্যার কারণে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী নিয়মিত পাঠদান গ্রহণ করে।
২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত একটি তিনতলা ভবনের কারণে বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশের পরিবেশ ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মজিবুর রহমান তার ভবনের সামনে এবং বিদ্যালয়ের গেটসংলগ্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপন করেছেন। এছাড়া ভবনটির পানি ও পয়নিষ্কাশনের বর্জ্য বিদ্যালয়ের সামনের পথ দিয়েই প্রবাহিত হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই স্কুল প্রাঙ্গণ পানিতে তলিয়ে যায়। দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
এদিকে পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি স্থানীয় মাহমুদুল্লাহর বাড়ির সামনে দিয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায়ই ওই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
হাজিগঞ্জ মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক বলেন, মজিবুর রহমানের ভবনের পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও ডাস্টবিনের কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
অভিযোগের বিষয়ে ভবন মালিক মজিবুর রহমান বলেন, “আমি আমার ভবনের সামনেই ময়লা রাখি, অন্য কারও জায়গায় নয়। পরিবেশ দূষণের বিষয়টি প্রশাসন দেখবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য পার্শ্ববর্তী বাড়ির মালিক মাহমুদুল্লাহ জায়গা দিলে আমি স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করব।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামনাশীষ মজুমদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সমস্যার সমাধান করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Share

আরও খবর

Sponsered content